নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসার ২০০৮ MCQ প্রশ্ন সমাধান — প্রশ্ন ও সমাধান
- পরীক্ষা:
- হালনাগাদ:
- ১ বার দেখা হয়েছে
- ১০০
- ১০০
- ১০০ মি.
- ১ নম্বর
- নেই
প্রশ্ন ও সমাধান · ১–২০ / ১০০
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ১: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন–
- ক) চর্যাপদসঠিক উত্তর
- খ) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
- গ) বৈষ্ণব পদাবলী
- ঘ) পদ্মাবতী
ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ হলো গানের সংকলন। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে চর্যাপদ আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়। এর বিষয়বস্তু বৌদ্ধ ধর্মমতে সাধন-ভজনের তত্ত্বপ্রকাশ। চর্যার পদগুলো সন্ধ্যাভাষায় রচিত।
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ২: ‘শেষের কবিতা’ কোন ধরনের রচনা?
- ক) কবিতা
- খ) ছোটগল্প
- গ) উপন্যাসসঠিক উত্তর
- ঘ) নাটক
ব্যাখ্যা: ‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যধর্মী উপন্যাস। এটি ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দে ‘প্রবাসী’ পত্রিকায় ছাপা হয়। ভাষার অসামান্য ঔজ্জ্বল্য, দৃপ্তশক্তি ও কবিতার দীপ্তি এ উপন্যাসটিকে এমন স্বাতন্ত্র্য এনে দিয়েছে, যার জন্য এ গ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথের বিস্ময়কর সৃষ্টির অন্যতম। অমিত, লাবণ্য, কেতকী, শোভনলাল প্রমুখ এ উপন্যাসের চরিত্র। উপন্যাসটির কতিপয় বাক্য আজ প্রবাদের মর্যাদা পেয়েছে। যেমন– ‘ফ্যাশনটা হলো মুখোশ, স্টাইলটা হলো মুখশ্রী’। ‘কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও’ এ কবিতাটি দিয়ে উপন্যাসটি শেষ হয়েছে।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ৩: প্রথম বাঙালি সনেটকার?
- ক) বিহারীলাল চক্রবর্তী
- খ) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
- গ) মাইকেল মধুসূদন দত্তসঠিক উত্তর
- ঘ) প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত মূলত কবি ও নাট্যকার। তিনি প্রথম বাঙালি সনেট রচয়িতা। সনেটকে বাংলায় চতুর্দশপদী কবিতা বলা হয়। মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সনেটের নাম ‘বঙ্গভাষা’ যা অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত। ‘হে বঙ্গ ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন/তা সবে অবোধ আমি অবহেলা করি’ এ কবিতার প্রথম দুই লাইন। তিনি ১৮৬৬ খ্রিস্টাব্দে চতুর্দশপদী কবিতাবলী/সনেটসমূহ রচনা করেন।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ৪: সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত সাহিত্য পত্রিকা–
- ক) সমতট
- খ) সমকালসঠিক উত্তর
- গ) লোকায়ত
- ঘ) সমান্তরাল
ব্যাখ্যা: সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত পত্রিকা ‘সমকাল’। এটি ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা থেকে প্রকাশিত মাসিক সাহিত্য পত্রিকা।
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ৫: ‘দুধের মাছি’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ–
- ক) সুসময়ের বন্ধুসঠিক উত্তর
- খ) কপট ব্যক্তিত্ব
- গ) শত্রু
- ঘ) শ্রমবিমুখ
ব্যাখ্যা: (ক) ‘দুধের মাছি’ বাগধারাটির অর্থ সুসময়ের বন্ধু।
(খ) ‘তুলসী বনের বাঘ’ বাগধারাটির অর্থ কপট ব্যক্তিত্ব।
(গ) ‘আদায় কাঁচকলায়’ ও ‘দা-কুমড়া’ বাগধারা দুটির অর্থ শত্রুতা।
(ঘ) ‘ননীর পুতুল’ বাগধারাটির অর্থ অতি আদুরে, অকর্মণ্য বা শ্রমবিমুখ।
বিষয়: সাধারণ বিজ্ঞান
প্রশ্ন ৬: ব্রাত্য শব্দের সমার্থক–
- ক) পতিতসঠিক উত্তর
- খ) ব্যত্যয়
- গ) ব্যূহ
- ঘ) ব্রত
ব্যাখ্যা: (ক) ব্রাত্য-এর সমার্থক শব্দ পতিত।
(খ) ব্যত্যয়-এর সমার্থক শব্দ ব্যতিক্রম বা বৈপরীত্য।
(গ) ব্যূহ অর্থ যুদ্ধের জন্য কৌশলপূর্ণ সৈন্যবিন্যাস।
(ঘ) ব্রত একটি ধর্ম অনুষ্ঠান।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ৭: সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য–
- ক) বাক্যের সরল ও জটিল রূপে
- খ) তৎসম ও অতৎসম শব্দ ব্যবহারে
- গ) ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায়সঠিক উত্তর
- ঘ) শব্দের কথ্য ও লেখ্য রূপে
ব্যাখ্যা: সাধু ও চলিত ভাষায় যে সকল পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় তা হলো সাধু ভাষা গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল, চলিত ভাষা তদ্ভব শব্দবহুল। সাধু রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতায় অনুপযোগী; চলিত রীতি বক্তৃতা, আলাপ আলোচনা ও নাটকের সংলাপের জন্য বেশি উপযোগী। সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে। সাধু রীতিতে ব্যবহৃত সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ চলিত রীতিতে পরিবর্তিত ও সহজ রূপ লাভ করে। অর্থাৎ সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপগত ভিন্নতায়।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ৮: ড় এবং র ধ্বনি দুটি কী ধ্বনি?
- ক) ঘোষ
- খ) তাড়নজাতসঠিক উত্তর
- গ) অল্পপ্রাণ
- ঘ) শিস্
ব্যাখ্যা: তাড়নজাত ধ্বনি হলো ড়, ঢ়, র। এ ধ্বনিগুলো জিহ্বার অগ্রভাগের তলদেশ দ্বারা অর্থাৎ উল্টো পিঠের দ্বারা ওপরের দন্তমূলে দ্রুত আঘাত বা তাড়না করে উচ্চারিত হয়। এজন্য এদেরকে বলা হয় তাড়নজাত ধ্বনি।
বিষয়: গণিত
প্রশ্ন ৯: ত্রিভুজ কোন সমাস?
- ক) দ্বন্দ্ব
- খ) বহুব্রীহি
- গ) কর্মধারয়
- ঘ) দ্বিগুসঠিক উত্তর
ব্যাখ্যা: সমাহার (সমষ্টি) বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয় তাকে দ্বিগু সমাস বলে। যেমন– ত্রিকাল, চৌরাস্তা, পঞ্চনদ, ত্রিফলা, শতাব্দী প্রভৃতি। ত্রিভুজ শব্দের ব্যাসবাক্য হলো [ত্রি (তিন), ভুজ (বাহু)] তিন ভুজের সমাহার।
বিষয়: সাধারণ বিজ্ঞান
প্রশ্ন ১০: বাংলা ভাষায় অর্ধতৎসম শব্দগুলো এসেছে কোন ভাষা থেকে?
- ক) সংস্কৃতসঠিক উত্তর
- খ) ফার্সি
- গ) পর্তুগিজ
- ঘ) ল্যাটিন
ব্যাখ্যা: (ক) যেসব সংস্কৃত শব্দ কিঞ্চিৎ পরিবর্তিত আকারে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়, তাদেরকে অর্ধতৎসম শব্দ বলে। তৎসম মানে সংস্কৃত। আর অর্ধতৎসম মানে আধাসংস্কৃত। (খ) ফার্সি শব্দগুলো বাংলা ভাষায় এসেছে প্রাচীন পারস্য (বর্তমান ইরান) থেকে। (গ) পর্তুগিজ শব্দগুলো বাংলা ভাষায় এসেছে পর্তুগিজরা যখন ব্যবসা বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে এদেশে আসে তখন। (ঘ) বাংলা ভাষায় ল্যাটিন শব্দগুলো আসে ইংরেজদের এ দেশে আগমনের ফলে।
বিষয়: সাধারণ বিজ্ঞান
প্রশ্ন ১১: ‘ওজন বুঝে চলা’ বাগধারার অর্থ–
- ক) আত্মসম্মান রক্ষা করাসঠিক উত্তর
- খ) পক্ষপাতদুষ্ট
- গ) পৃষ্ঠপোষককে সমর্থন
- ঘ) অন্যের অনুকরণ
ব্যাখ্যা: (ক) ‘ওজন বুঝে চলা’ বাগধারার অর্থ আত্মসম্মান রক্ষা করা। (খ) ‘একচোখা’ বাগধারার অর্থ পক্ষপাতদুষ্ট। (গ) ‘নুন খায় যার, গুণ গায় তার’ প্রবাদটির অর্থ পৃষ্ঠপোষককে সমর্থন। (ঘ) ‘গড্ডলিকা প্রবাহ’ অর্থ অন্যের অনুকরণ বা অন্ধ অনুকরণ।
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ১২: কোনটি কাব্যগ্রন্থ নয়?
- ক) শেষের কবিতাসঠিক উত্তর
- খ) বীরাঙ্গনা কাব্য
- গ) মেঘনাদবধ কাব্য
- ঘ) কয়েকটি কবিতা
ব্যাখ্যা: (ক) ‘শেষের কবিতা’ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস। (খ) ‘বীরাঙ্গনা কাব্য’ মাইকেল মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্য। (গ) ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য। (ঘ) ‘কয়েকটি কবিতা’ কাব্যগ্রন্থের কবি সমর সেন।
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ১৩: শামসুর রাহমানের কাব্য–
- ক) লোক লোকান্তর
- খ) সহসা সচকিত
- গ) উত্তরাধিকার
- ঘ) প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগেসঠিক উত্তর
ব্যাখ্যা: ‘প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা শামসুর রাহমান। এটি তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ। কাব্যগ্রন্থটি ১৯৬০ সালে প্রকাশিত হয়।
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ১৪: ‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ উপন্যাসটি কার লেখা?
- ক) জহির রায়হান
- খ) আলাউদ্দিন আল আজাদসঠিক উত্তর
- গ) সৈয়দ শামসুল হক
- ঘ) শওকত আলী
ব্যাখ্যা: ‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ আলাউদ্দিন আল আজাদের উপন্যাস। ‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ উপন্যাসটি ‘বসুন্ধরা’ নামে চলচ্চিত্রায়িত হয়, যা ১৯৭৭ খ্রিস্টাব্দে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ১৫: ‘জোহরা’ উপন্যাসের লেখক কে?
- ক) কাজী আব্দুল ওদুদ
- খ) সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ
- গ) মোজাম্মেল হকসঠিক উত্তর
- ঘ) আবু ইসহাক
ব্যাখ্যা: (ক) কাজী আব্দুল ওদুদ-এর উপন্যাস নদীবক্ষে। (খ) সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহর উপন্যাস লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা, কাঁদো নদী কাঁদো। (গ) শান্তিপুরের কবি মোজাম্মেল হক-এর উপন্যাস জোহরা, দরাফ খান গাজী। (ঘ) আবু ইসহাক রচিত উপন্যাস সূর্যদীঘল বাড়ি, পদ্মার পলি দ্বীপ, জাল প্রভৃতি।
বিষয়: সাধারণ বিজ্ঞান
প্রশ্ন ১৬: ‘রক্তকরবী’ নাটকটি কার লেখা?
- ক) কাজী নজরুল ইসলাম
- খ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরসঠিক উত্তর
- ঘ) গিরিশচন্দ্র সেন
ব্যাখ্যা: ‘রক্তকরবী’ নাটকটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা। এটি তার একটি সাংকেতিক নাটক। মানুষের সমস্ত লোভ কিভাবে জীবনের সমস্ত সৌন্দর্য ও স্বাভাবিকতাকে অস্বীকার করে মানুষকে নিছক যন্ত্রে ও উৎপাদনের প্রয়োজনীয় উপকরণে পরিণত করে এবং তার বিরুদ্ধে মানুষের প্রতিবাদ কিরূপ আকার ধারণ করে তারই রূপায়ণ এ নাটক। এ নাটকে ধনের ওপর ধান্যের, শক্তির ওপর প্রেমের এবং মৃত্যুর ওপর জীবনের জয়গান গাওয়া হয়েছে।
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ১৭: ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসটি কার লেখা?
- ক) অক্ষয়কুমার দত্ত
- খ) ফাল্গুনি মুখোপাধ্যায়
- গ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- ঘ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়সঠিক উত্তর
ব্যাখ্যা: ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর লেখা। ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের পটভূমিকায় সন্ন্যাসী বিদ্রোহের ছায়া অবলম্বনে রচিত এ উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৮৮২ সালে। এ উপন্যাসটির প্রতিপাদ্য বিষয় স্বদেশভক্তি, স্বজাতি ও স্বধর্মপ্রীতি। উপন্যাসটিতে মন্বন্তরের ভূমিকা নিখুঁতভাবে তুলে ধরা হয়েছে আর সাধারণ গ্রামীণ জীবনের আখ্যান হয়ে উঠেছে বাস্তব। সর্বোপরি প্রেম ও আদর্শের দ্বন্দ্ব এ উপন্যাসকে দিয়েছে নিবিড়তা। এ গ্রন্থের ‘বন্দে মাতরম’ গানের ধ্বনি পরবর্তীকালে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনকারীদের অত্যন্ত প্রিয় ও উদ্দীপক স্লোগান হিসেবে গৃহীত হয়।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ১৮: কোলকাতায় প্রতিষ্ঠিত ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে প্রথম বাংলা বিভাগ খোলা হয় কোন সালে?
- ক) ১৮০০ খ্রি.
- খ) ১৮০১ খ্রি.সঠিক উত্তর
- গ) ১৮০২ খ্রি.
- ঘ) ১৮০৩ খ্রি.
ব্যাখ্যা: ১৮০০ খ্রিস্টাব্দের ৪ মে কোলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮০১ খ্রিস্টাব্দে মে মাসে উইলিয়াম কেরির উদ্যোগে এ কলেজে প্রথম বাংলা বিভাগ খোলা হয়। কেরি সংস্কৃত ও বাংলা শিক্ষক হিসেবে এ কলেজে যোগদান করেন। ১৮০২ খ্রিস্টাব্দে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের পণ্ডিত রামরাম বসু রচিত ‘লিপিমালা’ গদ্যগ্রন্থ, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার লিখিত ‘বত্রিশ সিংহাসন’, গোলোকনাথ শর্মা রচিত ‘হিতোপদেশ’ প্রভৃতি গ্রন্থ প্রকাশিত হয় এ কলেজ থেকে।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ১৯: ‘Origin and Development of the Bengali Language’ গ্রন্থটির লেখক কে?
- ক) ড. সুকুমার সেন
- খ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
- গ) ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়সঠিক উত্তর
- ঘ) ড. দীনেশচন্দ্র সেন
ব্যাখ্যা: (ক) ড. সুকুমার সেন রচিত বাংলা ভাষার ওপর লিখিত গ্রন্থ ‘ভাষার ইতিবৃত্ত’। (খ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত গ্রন্থ বাঙ্গালা ব্যাকরণ, বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত, বাংলা সাহিত্যের কথা। (গ) ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় রচিত গ্রন্থ ভাষা-প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ, বাঙ্গালা ভাষাতত্ত্বের ভূমিকা, A Bengali Phonetic Reader, Bengali Self-Thought, Origin and Development of the Bengali Language. (ঘ) ড. দীনেশচন্দ্র সেন রচিত গ্রন্থ ‘বঙ্গভাষা ও সাহিত্য’, History of Bengali Language and Literature, বঙ্গসাহিত্য পরিচয়।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ২০: ‘যে সবে বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী। সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় না জানি ॥’ –কোন কবির লেখা?
- ক) কবি আব্দুল হাকিমসঠিক উত্তর
- খ) সাবিরিদ খান
- গ) কবি জৈনুদ্দিন
- ঘ) কবি আলাওল
ব্যাখ্যা: যে সবে বঙ্গেত জন্মি...............জন্ম নির্ণয় না জানি॥’ কবিতাংশটি কবি আবদুল হাকিমের ‘নূরনামা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ‘বঙ্গবাণী’ কবিতা থেকে নেয়া। মধ্যযুগীয় পরিবেশে বঙ্গভাষী এবং বঙ্গভাষার প্রতি এমন বলিষ্ঠ বাণীবদ্ধ কবিতার নিদর্শন দুর্লভ।
এই প্রশ্নপত্রে সময় ধরে পরীক্ষা দিন
১০০ প্রশ্ন · ১০০ মিনিট · সাথে সাথে ফলাফল
সচরাচর জিজ্ঞাসা
এই পরীক্ষায় পাস নম্বর কত ছিল?
[প্রতিষ্ঠান প্রকাশ করলে এখানে যোগ হবে — Exam.passMark]
প্রতিটি ভুল উত্তরে কত নম্বর কাটা যায়?
এই পরীক্ষায় ভুল উত্তরের জন্য নম্বর কাটা হয় না।
প্রশ্নপত্রের PDF কোথায় পাব?
এই প্রশ্নপত্রের PDF এখনও যোগ হয়নি; সব প্রশ্ন ও সমাধান এই পাতাতেই পড়তে পারবেন।
